600>||-প্রত্যাবৃত্ত-||--ছোট গল্প,:--( বুধনী )
600>||-প্রত্যাবৃত্ত-||--ছোট গল্প,:--( বুধনী )
<--©----আদ্যনাথ--->
আসলে কারুর জন্য কিছু করতে পারলে বড় ভালো লাগে। খবরটা জেনে ভীষণ ভালো লাগলো।
চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছি অক্টবর 2010 তে।
তার পর থেকে অনেক বার ধানবাদে গেছি।
কখনো কাজে,কখনো নিছক পুরোনো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে।
৬- ঐ অক্টোবর ২০১৮; 7টা 20 মিনিট :
ধানবাদ থেকে বুধনী দেবীর ফোন । ওনার জন্ম বুধবার হয়েছিল তাই বিহারের রেয়াজ অনুযায়ি ওনার নাম রাখা হয় বুধনী ।
বুধনী ফোনে 'অবর্ষিত অশ্রুভরা" কন্ঠে আমাকে বললেন
"বাবা ( বিহারে ব্ৰাহ্মণ বয়স্ক মানুষ কে ওরা বাবা বলেই সম্বোধন করে ) মুঝে হেড মিস্ট্রেস কা পদ মিলা, কাল সামকো G.M. সাহাব নে মুঝে বুলাকর পত্র দিয়া অউর কম্পিউটর কে হেড ইন চার্জ কে পদভি সমালনেকো কহা"।
সকালে এমন একটা ফোন পেয়ে ভীষণ ভালো লাগলো।
আমার মনে কিছু পুরানো স্মৃতি ভেসে উঠলো।
18 ই মে 2016 বুধবার:
সেদিন ধানবাদ গিয়ে ছিলাম। স্টেশনে লক্ষণের সাথে দেখা। লক্ষণ সেন্ট্রাল হসপিটালে এসে ছিল ।
লক্ষণ জোড়করে ওর বাড়িতে নিয়ে গেল আমাকে । ফুলারিটারে নুতন কোয়াটারে ওরা থাকে।
দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্ৰাম করে লক্ষণ কে বললাম চলো একটু পন্ডিত জির সাথে দেখা করে আসি। বিহারে ব্রাহ্মণ পূজারীদের সকলে পন্ডিত জি ই বলে সম্বোধন করে, ওনার নাম সত্যানন্দ পান্ডে ,কেউ কেউ আবার সত্য পান্ডেও বলতেন ।
লক্ষণ যা জানালো সেটা শুনে আমি একটু অবাক হলাম।
লক্ষণ জানালো যে পন্ডিত জি এক বৎসর আগে আলসারে ভুগে বোকারো হসপিটালে মারা গেছেন । আমি জিজ্ঞাসা করলাম তাহলে পন্ডিত জির স্ত্রী ও তার সন্তান কোথায় আছে এখন।
লক্ষণ সে খবর দিতে পারলো না।
এই পন্ডিত জি একজন সৎ ব্রহ্মণ। BHU ( Bananas Hindu University) র সংস্কৃতে র প্রফেসর।
ওই কলেজেই ইতিহাসের অনার্সের ছাত্রী বুধনী কাহার। পন্ডিত জি আর বুধনী বিহারের আড়া অঞ্চলে একই গ্রামের ফলে একে অপরকে চিনত। বুধনী B.A.পাশ করার পরেই ওরা বিয়ে করে।
সত্যানন্দ জি বলেছিলেন, ছোট বেলা থেকেই বুধনী পড়াশুনায় বেশ ভালো।
ওর বাবা মা ওকে দশ ক্লাশ পাশের পরে আর পড়াতে চাইনি ,কিন্তু বুধনীর জেদের কাছে সকলে হার মানে। ফলে নিজের পড়াশুনা চালিয়ে যায়। বুধনীর বাবার এমন সামর্থ ছিলনা যে বুধনীর পড়াশুনার খরচ বহন করতে পারে। তাই বুধনীর মামাই ওর পড়াশুনার খরচ চালাতেন।
বুধনী B A পাশ করার পরেই ওরা বিবাহ করে। কিন্তু ওদের গ্রামে এই বিবাহ নিয়ে বেশ অশান্তি ও গোলমাল বাঁধে, কারণ পান্ডে জি বর্ধিষ্ণু ব্রাহ্মণ ঘড়ের সন্তান আর বুধনী জাতিতে কাহার।
এইসব কারণে বুধনীর বাবাকে অনেক অত্যাচার সইতে হয়।
গ্রামের মানুষের অত্যাচারে, সত্যানন্দ জি ও বুধনী গ্রাম ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হয়। সেই থেকে ওরা এই মন্দিরে থাকছে। এখন বুধনীর এক ছেলে এক মেয়ে।
এসকল কথা আমায় পন্ডিত জি নিজে
বলেছিলেন। পন্ডিত জি আমাকে খুবই ভালো বাসতেন। যদিও উনি বয়সে আমার থেকে অনেক টা ই ছোট। তথাপি আমরা দুজনে একসাথে অনেক ভ্রমন নানা ন মন্দির দর্শন,অনেক পূজা পাঠ, জাগ যজ্ঞ্ একসাথে করেছি।
আমি ওনার জ্ঞান, নিরহঙ্কার, নির্লোভ,ও সাত্বিক মনভাবের প্রশংসা করতাম ও বিশেষ স্নেহ করতাম।
আমরা দুজনে ঐযে বলেনা 'হরিহর আত্মা', আমরা সেই রকম ছিলাম। আজ খুব মনে পড়ছে সে সব কথা ।
আমি যখন পন্ডিত জির মন্দিরে পৌঁছলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। আমাকে দেখে পন্ডিত জির স্ত্রী তার শত ছিদ্র শাড়িটি দিয়ে কোন মতে শরীর ঢেকে ঘোমটা দিয়ে ভাঙা দরজার পেছনে লজ্জা নিবারনের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে নিজেকে আড়াল করে কোনমতে লজ্যা নিবারন করে দাঁড়িয়ে বললেন" প্রনাম বাবা" । আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম যে উনি কাঁদছেন।
আমি বললাম, "আপনি কেন কাঁদছেন। এতগুলো বৎসর এইভাবে নিজেকে লুকিয়ে রেখে কি পেলেন। আপনি কি ভুলে গেছেন যে আপনি B.H.U র অনার্স গ্রাজুয়েট। দুটো টিউশনি করলেও একটু ভালো থাকতে পারতেন।" (কথা বার্তা সবই হিন্দিতে হচ্ছিলো এখানে আমি সকল কথা বার্তা বাংলায় তর্জমা করে লিখছি)
- "এইভাবে ভিক্ষা করে কি দিন চলে?"
উনি বললেন, "অনেক চেষ্টা করেছি কেউ একটুও সাহায্য করেনি। সকলে দূর দূর করে করে তাড়িয়ে দিয়েছে আমাকে । এখন তো কেউ ভিক্ষা ও দেয় না। বাচ্চা দুটোকে ওই পুকুরের জল ও মাঠের সাক সবজি কোন মতে সেদ্ধ করে খাওয়াই। ওদের ক্ষিদের জ্বালা সহ্য করতে পারিনা। কোথাও যাবো তাও সম্ভব নয়। এখানের কোন জায়গা তেমন করে চিনি না। তবুও এখানে মাথা গোজার জায়গাটা তো আছে , তাই এখানে পরে আছি। জানিনা কি পাপ করেছি যার শাস্তি দিচ্ছে ভগবানএই বাচ্চা দুটি কে। কবে এই পাপ থেকে মুক্তি পাবো তাও জানিনা। পন্ডির জি কিছুই রেখে যায় নি।
আমার যেটুকু ছিল তাও সব ওর চিকিৎসায় শেষ হয়ে গেছে।"
আমার বুঝতে অসুবিধার হলনা যে এখানেও ওই জাত পাতের সমস্যা।
যতদিন পন্ডিত জি ছিলেন ততদিন একরকম ছিল।আজ এই মহিলাকে তাঁর দীনতা ও জাতের খেসারত দিতে হচ্ছে।
রাত হতে চললো আমি বললাম যে আমি আগামী কালকে সকালে আসবো।
- আপনাকে বিধায়ক এবং GM এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেব, দেখি কিছু করতে পারি কিনা।
উনি এমন কথা শুনে বেশ ইতস্তত বোধ করছিলেন। আমি ওনার ইতস্ততা র কারন অনুভব করে ওনাকে আশ্বাস দিলাম কোন চিন্তা নাই ।
- আমি আপনাদের সকলের জামাকাপড় নিয়েই আসবো।
রাত্রে লক্ষণের স্ত্রীকে বললাম দুটি শাড়ি সায়া ব্লাউজ আমায় দিতে। লক্ষণের স্ত্রী এককথায় চার খানা শাড়ি ও আনুষঙ্গিক সকল জিনিষ বারকরে দিল।
সেই রাত্রেই আসে পাশের বাড়ি থেকে ওই বাচ্চাদের জামা প্যান্ট জোগাড় করে আনলেন।
আমি এক অদ্ভুত আনন্দ অনুভব করলাম।
পরদিন সকালে একটু তাড়াতাড়ি উঠেই ওই এলাকার এম,এল, এ ছিরু কে ফোন করে সাক্ষাতের সময় চেয়ে নিলাম। ছিরু ভীষণ ব্যস্ত তবুও যেহেতু আমি নিজে দেখা করতে চাই তাই সময় দিলো। ছিরুর সাথে আর ওর সমস্ত পরিজনের সাথে আমার বহু দিনের পরিচয়। একই প্রকারে ব্লক এর GM এর সাথে দেখা করার সময় চেয়ে নিলাম।
একটা জিনিষ অনুভব করলাম যে এই কয় বৎসরে পরেও সকলেই আমাকে মনে রেখেছে। এমনটা অনুভব করে বেশ আনন্দ পেলাম।।
ফোন সেরে আমি তৈরি হবার আগেই দেখি বেশ কিছু মানুষ মহিলারা পুরুষ অনেক জামা কাপড় শাড়ি নিয়ে এসে হাজির ।সকলেই চায় তাদের দান আমি গ্রহণ করি। লক্ষণের বউ অনেকে যত্নে রুটি,তরকারি বানিয়ে দিয়ে ছিল। সেই রুটি তরকারি খেয়ে সকলে আমি আর লক্ষণ দুটি সাইকেলে সকল জিনিষ বেঁধে নিয়ে চললাম পন্ডিতাইন বুধুনি র বাড়ির দিকে। পন্ডিতাইন ও তার ছেলে এতো জামা কাপড় দেখে যে কি খুশি হয়ে ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।
আমি ওদের জন্যও রুটি তরকারি এনে ছিলাম।
বাচ্ছা দুটির রুট তরকারি খাবার সেই দৃশ্য জীবনে ভুলবো না।
এবং সেইসঙ্গে অনুভব করলাম অভাবের তাড়নায় মানুষ কি ভাবে ক্ষুধা কেও জয় করতে বাধ্য হয়।
এরপর আমরা ছিরুর কাছে পৌছতেই ছিরু নিজের গাড়ি বারকরে আমাদে নিয়ে GM এর সাথে দেখা করতে চললো। GM সাহেব আমার সকল কথা শুনলেন। তখন ছিরু বললো যে পন্ডিত জিকে হাসপাতাল থেকে বারকরে সকল বিল মিটিয়ে ছিরু নিজে পন্ডিত জির সৎকারের ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিল। কিন্তু পরে দিল্লি তে মিটিং এতে যোগ দিয়ে গিয়ে পড়ে সকল ভুলে গিয়ে ছিল।
পন্ডিতাইন নিজও কোন যোগাযোগ না করায় সকল গন্ডগোল হয়ে গেছিল। GM সাহেব কে বললাম
- এই পন্ডিত জিকে আপনি ভালো ভাবে চেনেন। কারন আপনি যখন A.G.M(T) ছিলেন তখন উনিই আপনার গৃহ প্রবেশের পূজা করে ছিলেন।
GM সাহেব বললেন - "হ্যাঁ মনে পড়েছে। কিন্তু ওই পুজোর পরে আমিও অনেক চেষ্টা করেছিলাম ওই পন্ডিতের সথে দেখাকরতে। কিন্তু পন্ডিত জির ঠিকানা না জানার কারণে আর সেটা সম্ভব হয়নি। সত্যি উনি একজন পন্ডিত মানুষ ছিলেন। কিন্তু আজ জানতে পারলাম যে একজন শিক্ষিত মেয়ে দিনের পর দিন নাখেয়ে বা ভিক্ষা করে বাঁচার জন্য লড়াই করে চলেছে।সেটা সত্যিই ভাবার বিষয় । উনি কেন অন্তত টিউশনি করেন নি।"
আমি ওনাকে বুঝিয়ে বললাম যে ওই খানকার সকল মানুষ জেনে গেছেন যে বৌ টি প্রকৃত জাতিতে কাহার এবং সেই কারনেই ওখানকার কোন মানুষই এতটুকু সহায়তা করেন নি।
ব্রহ্মনদের টোলায় কাহারদের সন্মান পাওয়া অসম্ভব। যার ফলে বেচারি দুটি সন্তান নিয়ে জাতি বাদের স্বীকার হয়ে কোনমতে বেঁচে আছে। যে এলাকার মানুষ ওনাকে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখতে শুরু করেছে সে খানকার কোন মানুষ তার ছেলে মেয়েকে ওনার কাছে পড়াশুনা করতে পাঠাবে বলুন ?
GM সাহেব ব্যাপার টা উপলদ্ধি করতে পারলেন তথাপি বললেন,
-"কোলফিল্ডে ও মানুষ জাত পাত্ নিয়ে ভাবে। তার থেকে আসল কথা উনি থাকেন তো একেবারে রিমোট এরিয়াতে কতজন আর মানুষ থাকে ওখানে ? যাই হোক আমাকে কি করতে হবে বা আমি কি করতে পারি বলুন।"
আমি বললাম,
- আপনি অনেক বার নানা ভাবে নানা ন মানুষ কে সাহায্য করেছেন।চাকুরী করা কালীন যখনই আমি এসেছি তখনই আপনি সাহায্য করে ছেন। কোন দিন খালি হাতে ফিরিনি। আজো এসেছি কিছু চাইতে।----
- "কি চাই বলুন ?"---- "আপনাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমারও ভালো লাগে। সত্যি বলতে কি আমিতো নিজের কোন সম্পত্তি দান করছি না। যে টুকুই দেই সকলি সরকারের নিয়ম মেনে কিছু অসহায় কে সাহায্য করলে তারাও বাঁচতে পারে । "
আমি বললাম,
- যদি ওনাকে থাকার মতন একটা কোয়াটার দেন তাহলে হয়তো এখানে থেকে দুই চার টা টিউশনি করেও ওনার জীবিকা নির্বাহ হতে পারে।
ছিরুজি সঙ্গে সঙ্গে জানালেন যে ওনার বাড়ির কাছে কয়েকটা কোয়াটার বহুদিন ধরে ভ্যাকেন্ট পরে আছে ওনারা চাইলে ওখানে থাকতে পারে।
যদি কিছু রিপেয়ার দরকার হয় সেটাও উনি নিজে করিয়ে দিতে পারেন ।
আমি বললম্ বাঃ এমন টা আগে জানলে G M সাহেব কে কেন ব্যস্ত করা।
আমরা শুধু শুধু ই স্যার কে জ্বালাতন করলাম।
GM সাহেব সত্যি খুব ভালো মনের মানুষ ,
ওনার কথা হল না না ব্যাপার টা জানতে পেরে উনি খুব দুঃখিত যে এমন একজন শিক্ষিতা মহিলা এইভাবে জীবন কাটাচ্ছেন তাই ওনার জন্য যদি কিছু করতে পারেন তাহলে GM সাহেব খুব খুশি হবেন।
G M সাহেব আরও বললেন যে ঠিক আছে বর্তমানে উনি MLA সাহেবের দেওয়া কোয়াটারে থাকুক। তারপরে কোম্পানির যে স্কুল আছে সেখানে দেখি কোন ব্যবস্থা করা যায় কিনা।
এইটুকু কথা হবার পরে আমি তার পরের দিনই পন্ডিত জির স্ত্রী কে শিফট করিয়ে দিলাম কোয়াটারে।
এবং ওই এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু মানুষকে অনুরোধ করে তাদের ছেলে মেয়েকে পড়ার ব্যবস্থা করে দিলাম। এবং কিছু চাঁদা তুলে মহিলার হাতে দিয়ে চলে এলাম 26 মে 2016 তারপরে একমাসের মধ্যেই GM সাহেব ওনার কথা মতন BCCL এর অনুদানে চলে এমন স্কুলে পাণ্ডেজির স্ত্রীর ব্যবস্থা করে দিলেন।
আমার জানা ছিল না পন্ডিত জির স্ত্রী আগেই B.Ed, পাশ করা।
তাই স্কুলে মাস্টারি করার কোন অসুবিধাই হয়নি।
তার পর থেকে ওনাদের ঠিক ঠাক ই চলছে।
সেই 26শে মে 2016 র পরে যতবার ধানবাদে গেছি ওনার সাথে দেখা করেছি।
দেখেছি ওই মহিলা কিসুন্দর গুছিয়ে নিয়েছে স্কুল টি। GM সাহেব ভীষণ খুশি ওনার প্রতি।
আজকে 06/10/2018 তে ভদ্র মহিলা জখন ফোনে বললেন যে উনি হেড মিস্ট্রেস এর পদ পেয়ে ছেন এবং বর্তমানে স্কুল টিতে ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত প্রায় দুই শত ছাত্র ছাত্রী আছে। এবং আগামী বৎসর এই প্রথম ওই স্কুল থেকে দশ ক্লাসের বোর্ড এর ( মধ্যে মিক ) পরীক্ষা দেবে 28 জন ছাত্র ছাত্রী।
সকাল সকাল এমন খবর পেয়ে ভীষণ আনন্দ অনুভব করলাম।
মনে হল শিক্ষা তার রূপ দেখায় উপযুক্ত পরিবেশ পেলে।
আগুন চাপা থাকতে পারে না একটু হাওয়া পেলে আগুন তার রূপ প্রকাশ করবেই।
এমনকেই বোধ হয় প্রত্যাবৃত্ত বলা চলে।
স্বীকার উক্তি :::--( আজ এই লেখাটি ছোট গল্প হিসাবে লিখলেও এটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা।
এটি আমার জীবনের একটি মনে রাখবার মতন ঘটনা )
গল্পের স্থান ও পাত্রের নাম ইচ্ছা করেই পরিবর্তন করলাম। ::---------
【--anrc--06/10/2018--】
【=রাত্রি:01:08:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ======================
=============================================
To Dairy No::-010-059-2018::sl(11)
Page---3 July 2017 page 1 to 12
============================
Comments
Post a Comment